আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে চান? - বিস্তারিত
  • রবিবার, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে মে, ২০২৬ ইং, ৫ই জিলহজ্জ, ১৪৪৭ হিজরী

রামিসা হত্যা মামলা ; বিশেষ পিপি নিয়োগ

রামিসা হত্যা মামল; বিশেষ পিপি নিয়োগ
​//মো: আশরাফুল আলম//
মিরপুরের পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর রামিসা হত্যা মামলার বিচার কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ২৩ মে/২০২৬ তারইখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’-এর ৪৯২ ধারা মোতাবেক ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন এই মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য তাকে নিয়োগ দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে বহাল থাকবেন। মামলাটি পল্লবী থানায় গত ২০ মে, ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয় (মামলা নং-৩৫), যার ধারা— নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোড।​আদালত সূত্রে জানা গেছে, রামিসা হত্যার চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার নৃশংসভাবে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরের খাটের নিচ থেকে তার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনার পর পরই পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যেই আসামি সোহেল রানা আদালতে হাজির হয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের মাধ্যমে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফেসবুকে লাইক দিন