বামনায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

মোঃ শাকিল আহমেদ, বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ “কৃষিই সমৃদ্ধি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার বামনায় ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার ২০ মে সকাল ১১ ঘটিকায় বরগুনার বামনা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)-এর সহায়তায় এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ নিকহাত আরা এর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রথীন্দ্র নাথ বিশ্বাস, উপপরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন সিনিয়র মনিটরিং অফিসার বরিশাল অঞ্চল পার্টনার প্রকল্প, উপজেলা কমিশনার ভূমি মোঃ পলাশ আহমেদ, সাবেক পরিচালক মো: গাজী শাহই আলাম, উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ রানা, উপজেলা পল্লিউন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ শাকিল আহমেদ, অনুষ্ঠান স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোসাঃ ফারজানা তাসমিন উপজেলা কৃষি অফিসার বামনা,বরগুনা।
কৃষক কার্ডে প্রদত্ত মূল ১০টি সেবা: অনুষ্ঠানে কৃষকদের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ডের প্রধান ১০টি ডিজিটাল ও মাঠপর্যায়ের সুবিধা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়: ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি: সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজলভ্য করা।ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা প্রাপ্তি: সাশ্রয়ী খরচে ফসলের মাঠে সেচের ব্যবস্থা। সহজ শর্তে কৃষি ঋণ প্রাপ্তি: জটিলতা ছাড়াই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সুবিধা। স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি: আধুনিকায়নের জন্য ভর্তুকি মূল্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহ। সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রাপ্তি: সরকারের দেওয়া আর্থিক প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানো।মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য প্রাপ্তি: ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আগাম সতর্কতা ও বাজারদর জানা। কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি: আধুনিক চাষাবাদ ও প্রযুক্তির ওপর ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ। ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রাপ্তি: দ্রুত ও কার্যকরী বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিশ্চিতকরণ। কৃষি বীমা সুবিধা প্রাপ্তি: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বীমার আওতাভুক্ত করা। ন্যায্য মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয়ের সুবিধা প্রাপ্তি: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি বিক্রয়ের সুবিধা। অনুষ্ঠানে উপজেলার আধুনিক ও টেকসই কৃষির রূপান্তরে ‘কৃষক কার্ড’ এর মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে এই ১০টি মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
