ভোলার মজুচৌধুরী ঘাটে গাড়ির কাউন্টারে প্রতারনার অভিযোগ।।

ষ্টাফ রিপোর্ট!!

মজুচৌধুরী ঘাট থেকে চট্রগ্রামগামী সোহাগ পরিবহণ প্লাস গাড়ির ভোলা ইলিশা জংশন কাউন্টারের মনির,সোহাগ,শামছু,সালাউদ্দিন ওরফে সরোয়ার এর বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ।
মোঃমাইনউদ্দি পিতাঃ নুর উদ্দিন গত ১১ আগস্ট বুধবার তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দ্বায়ের করেন।

অভিযোগে মাইনউদ্দিন জানায়,কয়েক বছর ধরে আমি ইলিশা জংশন ঘাটে বিভিন্ন ব্যবসায় জড়িত।বিগত কয়েক দিন আগে সোহাগ পরিবহন প্লাস নামক ব্যানারে বাস মালিকপক্ষ থেকে আমাকে ভোলা সদরে থানা এলাকায় তাহাদের ব্যানের টিকেট বিক্রি সহ অনন্য বিষয়গুলো দেখার জন্য আমার সাথে মৌখিক ভাবে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী তাহারা আমার নামে বাসের ব্যানার ফেস্টুন ছাপানো সহ আমাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদের বাসগুলোর ভোলা সদর এলাকার দায়িত্ব অর্পন করার কথা ছিলো।

আমি সেই মোতাবেক সকল ম্যানেজ করে আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুত ছিলাম। এরইমধ্যে উল্লিখিত মনির আমার এই কাজে বাধা প্রদান করে। তারা আমার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। নতুবা আমাকে ব্যবসা পরিচালনা করতে দিবে না মর্মে হুমকি দেয়।আমি তাদের কথা সমর্থন না হওয়ায় তারা আমার নামে কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রেরিত ব্যানার বাবুঘাট থেকে নিয়ে যায় এবং আমার নাম ও মোবাইল নম্বর এর স্থলে তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে টিকেট কাটা সহ অন্যান্য সকল বিষয় পরিচালনা করতে শুরু করে।

এবিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা আমার কথায় কোনো সদুত্তর না দিয়ে এলোমেলো কথাবার্তা বলতে থাকে।এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ইলিশা জংশন ফেরিঘাটে যাই এবং তাদের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করি। কিন্তু তারা আমার কোন কথার কর্ণপাত না করে আমাকে গালাগাল করতে থাকে এবং আমার সাথে বাস মালিকদের সাথে চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও তারা আমার নামে আসা বাসের ব্যানার কেরে নিয়া ব্যানারে নিজের নাম সংযোগ করে আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করাসহ সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। তারা আমাকে এখন বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে বেড়াচ্ছে এখন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এবিষয়ে মনিরের সাথে কথা বললে মনির জানায়,মালি পক্ষ আমাদের টিকেট বিক্রি করতে বলেছে তাই আমরা টিকেট বিক্রি করছি।

ফেসবুকে লাইক দিন