মনপুরায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পুনঃ তদন্ত কমিটি গঠন।।

ষ্টাফ রিপোর্ট ##

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম লিখিত অভিযোগ প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত, মনপুরা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তদন্ত কর্মকর্তার স্বজনপ্রীতি তদন্ত প্রতিবেদনে দাখিল করেন, তিনি দায়মুক্ত হওয়ার জন্য তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না। অথচ অভিযোগকারী নেজাম উদ্দিন হাওলাদার উক্ত এলাকার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান।। এমনকি এই অভিযোগটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার উঠে এসেছেন।। এরপরেও মনপুরা শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগকারীকে চিনেন না বলে মিথ্যাচার মূলক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করায় তদন্ত প্রতিবেদনটি আমলে নেয়নি ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান,পুনঃ তদন্তের কমিটি গঠন করেছেন, মনপুরা উপজেলা অফিস থেকে যে তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব নয়।

শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র হালদার আরো জানান, ছবি ও ভিডিও ফুটেজ আলোকে সঠিক তদন্তের রিপোর্ট উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান দাখিল করেন নাই, অতঃপর তার প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে আমি পূনতদন্ত গ্রহণের জন্য জেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামানকে দায়িত্ব প্রদান করেছি। সাথে সাথে নির্দেশনা প্রদান করেছি অতি দ্রুত তদন্তের রিপোর্ট দাখিলের জন্য।।

সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নিয়ে নব নিয়যুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা জেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি অতি দ্রুত পূর্বক তদন্ত গ্রহণ করব, ইতিমধ্যই অভিযোগকারী নির্বাচিত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করেছি।।

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসুচিতে অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ৩ মাস সময় গেলেও দেওয়া হয়নি তদন্ত প্রতিবেদন এমটাই জানিয়েছেন, ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র হালদার।।

বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা উপ- পরিচালকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি ভোলা জেলা প্রাথমিক কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছি।। আমি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা কর্মকর্তার সাথে এখনি যোগাযোগ করছি।।

এদিকে শিক্ষক শামসুদ্দিন ও শিক্ষক ফারুক ফরাজীর বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা, চাঁদাবাজী ও উত্তর চরের জমি দখলসহ নির্বাচনের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে।। যা সরকারি চাকরিবিধি পরিপন্থী।

অন্যদিকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা করলে শিক্ষকগণ সংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।।

উল্ল্যখ,মনপুরা উপজেলার চর নিজাম সরকারি প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক শামসুদ্দিন সাগর ও 41 নং কৃষ্ণ প্রসাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারুক ফরাজীর বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ অংশগ্রহণ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার লিখিত অভিযোগ করা হয়।। অভিযোগকারী মনপুরা 2 নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন হাওলাদার লিখিত অভিযোগ প্রেক্ষিতে গত তিন মাসেও এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়নি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।।

ফেসবুকে লাইক দিন