আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে চান? - বিস্তারিত
ঢাকা আজঃ বৃহস্পতিবার, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৩শে মে, ২০২৪ ইং, ১৩ই জিলক্বদ, ১৪৪৫ হিজরী
সর্বশেষঃ

রাজাপুরে টেলিমেডিসিনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পেয়েছেন সাড়ে ১১শ রোগী

মশিউর রহমান রাসেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ রাজাপুর উপজেলায় পঞ্চাশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন আধুনিক সেবার পাশাপাশি রয়েছে টেলিমেডিসিন সেবা। এ সেবায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, খ্যাতনামা হাসপাতালের প্রতিথযশা চিকিৎসকবৃন্ধ স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকেন। ১৬ জুলাই থেকে হাসপাতালে সেবাটি চালু হবার পর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১শ ৫০জন রোগী বিভিন্ন রোগে সেরা চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন। রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেলিমেডিসিন সেন্টারের দায়িত্বে থাকা সাপোর্টিং ইঞ্জিনিয়ার প্রিয়াঙ্কা সাহা জানান, ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই থেকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেলিমেডিসিন সেবা চালু হয়েছে। ১৬ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৭২জন রোগী সেবা নিয়েছেন। পুরো আগস্ট মাসে ১৩০জন, সেপ্টেম্বরে ২৪৯জন, অক্টোবরে ২৪২জন, নভেম্বরে ২৫২জন ও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০৫জন রোগী বিভিন্ন রোগে বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সেবা নিয়েছেন। প্রথম দিকে
মানুষ সেবা সম্পর্কে জানতো না। দিন যাচ্ছে, মানুষ জানছে আর সেবা গ্রহিতার সংখ্যাও বাড়ছে। রোগী দেখানোর কৌশল হিসেবে তিনি আরো জানান, দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত ও খ্যাতনামা হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ প্রফেসর, সার্জন,কনসালটেন্ট চিকিৎসকদের সাথে রোগের ধরন অনুযায়ী অনলাইন কানেকশন নিতে হয়। কানেকশন পেলে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের সংযুক্তে রোগিকে বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসকের স্বাক্ষাত করানো। রোগী তার রোগের বর্ণনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে বর্ণনা করেন এবং উপস্থিত এমবিবিএস চিকিৎসক তা নোট করেন। পরবর্তিতে ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যদি কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় তাহলে এমবিবিএস চিকিৎসক তা ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শেষ হলে রিপোর্ট অনুযায়ী একই ব্যবস্থায় ওই বিশেষজ্ঞ চিকিসককে দেখানো হয়।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুর আলম রায়হান জানান, রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনী চিকিৎসক পদায়ন না থাকলেও রোগীর চাহিদা অনুযায়ী সিজারিয়ান অপারেশনসহ নরমাল ডেলিভারীর কাজ গুরুত্বসহকারেই পরিচালনা করা হচ্ছে। অত্যাধুনিক ল্যাবের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ফি অনুযায়ী স্বল্পখরচে রোগীরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারছে। জনবল সঙ্কটের পরেও নিজেদের বেতনের অংশ থেকে মাস্টাররোলে কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হচ্ছে। রোগীদের সেবায় শতভাগ আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছি। হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দও রোগীদের সাথে আন্তরিক সেবায় বদ্ধ পরিকর বলেও দাবী করেন তিনি।

ফেসবুকে লাইক দিন