আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে চান? - বিস্তারিত
ঢাকা আজঃ শনিবার, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২৪ ইং, ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরী

বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায়,জনস্রোতে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগো

ভোলার খবর ডেস্ক: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে সড়কপথে বরিশালে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জনসভা সফল করার লক্ষ্য বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার ন্যায় অংশ গ্রহণ করেন ভোলা জেলা আওয়ামী লীগ।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ৯টায় গণভবন থেকে রওনা দেন তিনি। দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বরিশালে পৌঁছে সার্কিট হাউসে যান। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে জনসভায় যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানাও রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। এই সন্ত্রাসী দলের বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় থেকে মানুষের ভাগ্য না গড়ে নিজেদের ভাগ্য গড়েছিল বিএনপি-জামায়াত। দেশের মানুষ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আমি বিএনপি-জামায়াতকে ধিক্কার জানাই। কারণ, তারা মানুষ পোড়ায়, মানুষ হত্যা করে। আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে আর তাদের রাজনীতি মানুষ পোড়ানোতে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যখন জনগণের জন্য উন্নয়ন করি, তখন ওই বিএনপি-জামায়াত করে অগ্নিসন্ত্রাস। রেললাইনের ফিস প্লেট ফেলে দিয়ে, বগি ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যার ফাঁদ পাতে। রেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। মা-সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রেখেছে- এই অবস্থায় আগুনে পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে। এই দৃশ্য পুরো বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। বাসে আগুন, গাড়িতে আগুন, ঠিক ২০০১ সালে শুরু করেছিল। এরপর ১৩-১৪ সালেও একই ঘটনা ঘটায়। এখন আবার অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ মাঠ প্রায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। চেষ্টা চলছে মঞ্চের কাছাকাছি থাকার। নীল ক্যাপ পরিধান করা নেতা কর্মীগন ভোলা জেলা থেকে আগত, ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন বিপ্লব এর নেতৃত্বে, প্রায় ৬ হাজার নেতা কর্মী লঞ্চ ও ফেরি যোগে যোগ দেন।
এর আগে ভোলার ৪ সংসদীয় আসনের, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী, তোফায়েল আহমেদ , আলী আজম মুকুল ,নুরনবী চৌধুরী শাওন ও আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জেকব সভায় যোগ দেন,পরে কর্মী-সমর্থকরা মিছিলে মিছিলে সমাবেশ স্বলে যোগ দেন।
সকাল ৬টা থেকেই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জমায়েত হতে থাকেন নীল ক্যাপধারীরা। সকাল ১০ টার মধ্যে সবাই একত্রে ইলিশা লঞ্চ ঘাট হয়ে বরিশালের উদ্দেশ্য যাত্রা করে, এদের মধ্যে ১২ টার দিকে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন বিপ্লব নিজ হাতে নেতা কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন, এর পরপরই সবাই মিছিলে মিছিলে রওনা হন বঙ্গবন্ধু উদ্যানের দিকে।
এদিকে ৬ স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে বরিশালের পুরো নগরীকে। সভাস্থলগামী সব সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মাঠে প্রবেশের সময় প্রতিটি কর্মীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। তৃষ্ণা নিবারণে হাজারো পানির বোতল মাঠের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছে।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর বরিশাল আসেন শেখ হাসিনা। এর আগে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সফরকালে এ বঙ্গবন্ধু উদ্যানেই এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি।
ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হোসেন বিপ্লব এর নেতৃত্বে, আরো যোগদান করেন,ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউনুস, বোরহানউদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন হায়দার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুবলীগের সভাপতি তাজউদ্দীন খান, দৌলতখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুর রহমান টিপু সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আওয়ামী অংগ সংগঠনের নেতা কর্মী ও সমর্থক গন অংশ গ্রহণ করেন।

ফেসবুকে লাইক দিন