সর্বশেষঃ

ভোলা পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পুলিশি অভিযান।।

স্টাফ রিপোর্টারঃ- ভোলা পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পুলিশি অভিযান পরিচালনা করেছেন ভোলা সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত আরমান হোসনে। ওসি তদন্তের নেতৃত্বে আজ পাসপোর্ট অফিসের দালালচক্র নিয়ন্ত্রণে এ অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়।। আজ বেশ কয়েকদিন যাবত গণমাধ্যমের গোপন ক্যামেরায় ফুটে উঠেছে এ ভোলা পাসপোর্ট অফিসের ঘুষ বাণিজ্য।।

বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে জানিয়েছেন, ঘুষ আর দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দিন দিন বেড়েই চলেছে সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি। জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করতে দিলেও তিন মাসেও মিলছে না পাসপোর্ট। অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের। ভুলের কারণ জানতে চাইলে উল্টো হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। তাদের চাহিদা মতো টাকা না দিলে হয়রানির শেষ নেই।

সেই সাথে বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম। হয়রানি বন্ধে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সেবা গ্রহীতারা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভোলা জেলার তজুমদ্দিন থানার নয়ন কাজের উদ্যেশ্যে দেশের বাহিরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে ভোলা আঞ্চলিক অফিসে আসলে কাগজপত্র ভুলে বলে ছুড়ে ফেলে দেয় অফিসের এক কর্মকর্তা। তার কিছুক্ষণ পরে একজন দালাল এসে বলে সমস্যা কি ? সব ঘটনা শুনে সেই দালাল বলেন, আমি আপনাদের কাজগুলো করে দিবো চিন্তার কারণ নেই। তখন ভুক্তভোগী নয়নের কাছে অফিস দালালের মাধ্যমে টাকা দাবি করে। ভুক্তভোগীরা তাতে রাজি হয়ে ১২ জন ১৩ হাজার টাকা করে দেয় দালালের কাছে। টাকা দেওয়ার ৩ মাস ফেরিয়ে গেলেও পাসপোর্টগুলো হাতে পাননি ভুক্তভোগীরা। উক্ত পাসপোর্ট আনতে অফিসে গেলে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করেন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। ভুক্তভোগী নয়নের পাসপোর্ট পেতে দেরি হলে নয়ন দালালকে ধরে গত ১১/০১/২২ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ২ টার সময় অফিস কর্মকর্তার নির্দেশে। ভুক্তভোগী নয়নের পাসপোর্ট পেতে দেরি হলে নয়ন দালালকে ধরে গত ১১/০১/২২ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ২ টার সময় গনমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে অফিসে গেলে দালাল খায়ের পাসপোর্ট দ্রুত পেতে যার কাছে টাকা দিয়েছেন তার নাম অফিস কর্মকর্তা গোলামুর রহমান তার অফিস কক্ষে দালাল গিয়ে সংবাদ কর্মীদের সামনে বলেন আপনাকে টাকা দিয়েছি আপনি পাসপোর্ট দেন নাই দেইখা আমাকে ধরে আনছে। স্যার দয়া করে তাদের পাসপোর্টগুলো ছেড়ে দেন, না হলে আমাকে পুলিশে ধরিয়ে দিবে। তখন অফিস কর্মকর্তা গোলামুর রহমান নিশ্চুপ হয়ে মাথা নিছু করে কোন উত্তর দেন নাই। সেখানে কোন সাড়া না পেয়ে ভোলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম এর কাছে গিয়ে উক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার জানালে কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ দেন দেখি কি করা যায়।

তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশস্ত করেছেন উপস্থিত ভুক্তভোগী ও গনমাধ্যম প্রতিনিধিকে। তখন তিনি সবাইকে চলে যেতে বলেন। অপরদিকে ইলিশা বাসস্ট্যান্ডের জামে মসজিদের ইমাম মান্নান হজ্বে যাবেন বলে জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্টের করেছেন। কিন্তু উক্ত স্লিপ সঠিক সময়ে নেন নি বলে তার পাসপোর্ট দিতে গরিমশি করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মেয়ের বাবা জানান, পাসপোর্ট না পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেয়েকে নিয়ে দেশের বাহিরে যেতে পারছেন না তিনি।

দিন দিন মেয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতির দিকে যাচ্ছে। পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করার পর থেকে নানা ভাবে হয়রানীর স্বীকার হতে হচ্ছে তার মত সেবা প্রত্যাশীদের। অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজসে দালালরা সেখানে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। দালাল ছাড়া কেউ অফিসে সেবা নিতে গেলে শুরু হয় নানা তালবাহানা ও হয়রানী। আর এসব দালালদের মাধ্যমে কেউ অফিসে গেলে অফিসের কর্মচারীরা আবেদন ফরমে একটি সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে রাখেন। আর সে মোতাবেক কমিশন বাণিজ্য হয়ে থাকে।

চরফ্যাশনের বাসিন্দা জসিম বলেন, আমার তো ৪ মাস পার হয়ে গেছে পাসপোর্ট করতে দিয়েছি, কিন্তু অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান আমাদের কিছু করার নেই, আপনার পাসপোর্ট বই ঢাকা থেকে না আসায় তাই দিতে পারছি না। বই ছাপা হয় নাই, মেশিন নষ্ট ইত্যাতি বলে চুপ করে দেন জাহাঙ্গীর আলম। ভোলা শহরের বাসিন্দা জামিল বলেন, সাধারণ ভাবে পাসপোর্ট নিতে গত তিনমাস আগে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেছিলাম। অফিস কর্মকর্তার নির্দেশে টাকা একবার জমা দিলেও পরবর্তিতে আবারো পূনরায় পাসপোর্ট করতে ব্যাংকে টাকা জমা দেই। অফিসে আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় অফিসের লোকজন পাঁচশ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে পাঁচশ টাকা দেই। এ বিষয় ভোলার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যদি কেউ হয়রানির স্বীকার হয়, তা হলে অভিযোগ দেন। অভিযোগ দিলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভুক্তভোগী নয়ন যে

ফেসবুকে লাইক দিন