মনপুরা থানার এসআই নয়নের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত শুরু।।

ষ্টাপ রিপোর্ট#

ভোলা জেলার মনপুরা থানার এসআই ইব্রাহিম নয়নের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মনপুরা উপজেলার একজন নারী ভুক্তভোগী।। লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী লিমা বেগম তুলে ধরেন মনপুরার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে সি আর- ৫/২১ মামলার তদন্তভার মনপুরা থানায় প্রেরন করলে, তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত হন এসআই ইব্রাহিম নয়ন। অতঃপর তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ইব্রাহিম নয়ন ভুক্তভোগীর কাছে থেকে নগদ টাকা দাবি করেন,টাকা না দিতে পারায় আসামী পক্ষ থেকে 30 হাজার টাকা গ্রহণ করে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করে এস এই ইব্রাহিম হোসেন নয়ন।।

ফলে বিজ্ঞ আদালতের তদন্তের বিরুদ্ধে না রাজি প্রদান করলে, বিজ্ঞ আদালত এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক কে পূর্নতদন্তের ভার প্রদান করেন এবং ইউপি চেয়ারম্যান সঠিক তদন্তের রিপোর্ট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।।

মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেটের বিজ্ঞ আদালত ইউপি চেয়ারম্যানের তদন্ত আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।। বিষয়টি অবগত করে মিথ্যা প্রতিবেদনের বিচার জানিয়ে ভোলা জেলার বিজ্ঞ পুলিশ সুপারের নিকট মনপুরা থানার এস আই নয়নের ইব্রাহিম বিরুদ্ধে অভিযোগ আনায়ন করেন ভুক্তভোগী।।

অভিযোগকারী লিমা বেগমের নিকট অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকে জানান,আসামী স্থানীয় যুবদল বিতর্কিত নেতা।। শাহাজান মাস্টারের পক্ষ হয়ে এসআই নয়ন মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন।। আমি পুলিশ সুপারের নিকট আমাকে হয়রানি মিথ্যা প্রতিবেদন এর বিচার চাই!
আসামি যুবদল নেতা শাহজাহান মাস্টার এস আই নয়নের ক্ষমতাবলে আমাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন এবং বলে বেড়াচ্ছে আমি ৩০ হাজার টাকা দিয়ে মামলা খেয়ে ফেলেছি।। আসামী শাজাহান মাস্টারের মুখের ব্যবহারও আচার-আচরণ যথেষ্ট খারাপ, কথায় কথায় এলাকার মানুষকে গালমন্দ করেন এবং মানুষের গায়ের দিকে মারতে ছুটে যান ।

অভিযোগকারী লিমা আরো জানান,অসামী যুবদল নেতা শাহজাহান গত 2001 থেকে 2006 সালের বিএনপি’র শাসন আমলে সন্ত্রাসের রাজত্ব করেছেন বলে এলাকায় অভিযোগও রয়েছে। এমনকি প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বহু মানুষকে কুপিয়ে চাঁদা আদায় করেছেন তখনকার এই সন্ত্রাসী শাহাজান ।। বর্তমানে বিএনপি আসলে মানুষকে হতাহত করবেন বলে তালিকা করেছেন এবং হুমকি দিচ্ছেন এই যুব দলের নেতা।। আপনারা এলাকায় আসলে তার প্রমাণ পাবেন।।

অভিযুক্ত মনপুরা থানার এসআই ইব্রাহিম হোসেন নয়ন কে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে আসামি স্থানীয় যুবদল নেতা শাহজাহানকে মুঠোফোনে চেষ্টা করলে, তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি লাইন কেটে দেন।।

অভিযোগের বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ সাঈদ আহমেদের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি পুলিশ সুপারের নিকট তদন্তাধীন রয়েছে।।

আসামির যুবদল নেতা শাহজাহানের সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ নানা কেলেঙ্কারি নিয়ে মনপুরা যুবদল সভাপতি জোবায়ের রাজিব এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন সন্ত্রাসী কোন দলের নয়,প্রমাণ পেলে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।।

বিষয়টি নিয়ে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্বাস মাহমুদ এর নিকট জানতে চাইলে,তিনি জানান বিষয়টি নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।। তদন্ত শেষ হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।।

উল্লেখ্য আসামি যুবদল নেতা শাহজাহান মাষ্টার মনপুরা (ফকির হাট)চর ফৈজুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন এবং মনপুরা বিতর্কিত যুবদল নেতা।

আসছে বিস্তারিত…… দ্বিতীয় পর্বে

ফেসবুকে লাইক দিন