সারাদেশে যান চলাচল শুরু,ফের জনমনে প্রশান্তি ।।

স্টাফ রিপোর্ট:-

আগামীকাল বুধবার থেকে শতভাগ যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত ভাড়ায় নৌযান চলাচলের আদেশ জারি করেছে বিআইডব্লিউটিএ। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে সারা দেশে আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যে ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়ায় ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের আদেশটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

একই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার থেকে আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ধারণক্ষমতার শতভাগ যাত্রী নিয়ে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের আদেশ জারি করেছে বিআইডব্লিউটিএ।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে সারা দেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। কঠোর বিধিনিষেধের কারণে অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় যাত্রীবাহী নৌযান। এরপর ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সে সময় শ্রমিকদের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে ৩১ জুলাই শনিবার রাত ৮টা থেকে ২ আগস্ট সকাল ১০টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেয় বিআইডব্লিউটিএ।

এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে নৌযান পরিচালনার ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৩ জুলাই সকাল থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নৌপথে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান (লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলার ও অন্যান্য) চলাচল বন্ধ রাখা হয়, যা পরবর্তীকালে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

অন্যদিকে আগামীকাল বুধবার থেকে সড়কপথে নির্ধারিত গণপরিবহনের অর্ধেক চলতে পারবে—এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সংস্থাটি বলছে, স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহনের অর্ধেক চালানোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

বিআরটি এর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কাল থেকে আসন পূর্ণ করে পরিবহন চলতে পারবে। তবে কোনোভাবেই দাঁড়িয়ে বা আসনের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে পরিবহন চলেছে। এর জন্য নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া যোগ করে তা আদায়ের সিদ্ধান্ত দেয় সরকার। কিন্তু কাল থেকে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া আর প্রযোজ্য হবে না।

ফেসবুকে লাইক দিন